শুক্রবার বাংলায় প্রকাশিত হতে চলেছে এসআইআরের দ্বিতীয় সাপ্লিমেন্টারি তালিকা। তার আগেই প্রশ্নের মুখে পড়েছে পুরো প্রক্রিয়া। যাঁদের নাম ইতিমধ্যেই বাদ গিয়েছে, তাঁরা কবে এবং কীভাবে নিজেদের দাবি জানাবেন—তা নিয়ে তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তি।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যাচ্ছে, ট্রাইব্যুনালের জন্য অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ও বিচারকদের নাম চূড়ান্ত হলেও, কবে থেকে তা কার্যকর হবে সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট ঘোষণা হয়নি। যদিও কলকাতা হাই কোর্ট-এর নির্দেশে রাজ্যের ২৩টি জেলার জন্য ১৯টি ট্রাইব্যুনাল গঠনের কথা জানানো হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে, তাঁরা আপিল করবেন কীভাবে? কমিশন সূত্রে ইঙ্গিত, অনলাইন আবেদন পদ্ধতি চালু করার বিষয়ে আলোচনা চলছে। তবে তা শুরু হওয়ার আগেই ভোটাররা চাইলে জেলা নির্বাচন আধিকারিক বা ডিইও অফিসে সরাসরি আবেদন করতে পারবেন।
এছাড়া সাদা কাগজে চিঠি লিখেও ট্রাইব্যুনালের উদ্দেশে আবেদন করা যাবে। তবে সেই আবেদন গ্রহণ করা হবে কি না, আবেদনকারীকে ডাকা হবে কি না, অথবা আইনজীবীর মাধ্যমে আবেদন করা যাবে কি না—এসব বিষয়ে এখনও স্পষ্টতা নেই।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠছে ভোটাধিকার নিয়ে। তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া ব্যক্তিরা আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন কি না, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকরা বিষয়টি নিয়ে আদালতের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছেন বলেই জানা যাচ্ছে।
গত সোমবার প্রথম তালিকা প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই বিতর্কের সূত্রপাত। শুক্রবার দ্বিতীয় তালিকা সামনে আসার আগে সেই উদ্বেগ আরও বাড়ছে। প্রশাসনিক স্তরে প্রস্তুতি চললেও, সাধারণ ভোটারদের মনে এখনও রয়ে গিয়েছে একটাই প্রশ্ন—নিজের নাম বাদ গেলে অধিকার ফিরে পাওয়ার পথ ঠিক কোথায়?






