ভোটের প্রস্তুতির মাঝেই নতুন করে চর্চায় উঠে এল সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা। সোমবার প্রথম দফায় প্রকাশিত তালিকায় প্রায় ১০ লক্ষ নাম অন্তর্ভুক্ত হলেও, সূত্রের খবর—উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নাম বাদও পড়েছে। রাজ্যজুড়ে ৮০ হাজারের বেশি বুথ থাকলেও প্রথম পর্যায়ে মাত্র প্রায় ৪০ হাজার বুথের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, যা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন মহলে। এমনকি এই তালিকায় প্রায় ৪০ শতাংশ নাম অনুপস্থিত বলেও দাবি উঠছে।
এই পরিস্থিতিতেই ভোট প্রক্রিয়া ঘিরে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ জারি করেছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক-এর দফতর। স্পষ্ট জানানো হয়েছে, ভোটের কাজে কোনওভাবেই চুক্তিভিত্তিক কর্মী নিয়োগ করা যাবে না।
জেলাশাসকদের উদ্দেশে নির্দেশে বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য সরকারি কর্মীদের পৃথক তালিকা তৈরি করতে হবে এবং সেই তালিকা থেকেই ভোটকর্মী নিয়োগ করতে হবে। এই প্রক্রিয়া নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সম্পন্ন করার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। নির্দেশ কার্যকর করার শেষ সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে আগামী ৩০ তারিখ।
প্রশাসনিক মহলের একাংশ মনে করছে, ভোটকর্মী নিয়োগে স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই এই কড়াকড়ি। তবে একই সময়ে ভোটার তালিকা নিয়ে ওঠা প্রশ্ন এবং কর্মী নিয়োগের এই নির্দেশ—দুটি মিলিয়ে নির্বাচনকে ঘিরে চাপানউতোর আরও বাড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।






