‘এটা শুধু ট্রেলার’, দিল্লির জমায়েতের পর আরও বড় আন্দোলনের হুঁশিয়ারি CJP প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের

On: Sunday, June 7, 2026 7:48 PM
---Advertisement---

দিল্লির যন্তর মন্তরে শনিবারের জমায়েতকে শেষ লড়াই নয়, বরং বৃহত্তর আন্দোলনের সূচনা হিসেবে দেখছেন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)-র প্রতিষ্ঠাতা Abhijeet Dipke। NEET-সহ বিভিন্ন পরীক্ষায় অনিয়ম এবং শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে ক্ষোভকে কেন্দ্র করে হওয়া এই বিক্ষোভের পর রবিবার তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, দাবি না মানা হলে আন্দোলন আরও বিস্তৃত আকার নেবে।

সামাজিক মাধ্যম X-এ একটি পোস্টে অভিজিৎ দাবি করেন, যন্তর মন্তরে হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতি দেখিয়ে দিয়েছে যে সাধারণ মানুষ একজোট হলে তাদের কণ্ঠস্বর উপেক্ষা করা সহজ নয়। তাঁর কথায়, শনিবারের কর্মসূচি ছিল কেবল একটি ‘ট্রেলার’, ভবিষ্যতে আরও বড় পদক্ষেপের জন্য তাঁরা প্রস্তুত।

আন্দোলনের অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক হিসেবে তিনি তুলে ধরেছেন অংশগ্রহণকারীদের পরিচয়। অভিজিতের দাবি, উপস্থিত বহু মানুষ জীবনে এই প্রথম কোনও প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দেন। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে যে হতাশা ও ক্ষোভ তাঁদের মধ্যে জমে ছিল, এই আন্দোলন সেই অনুভূতি প্রকাশের একটি মঞ্চ তৈরি করেছে।

বিদেশে থাকাকালীন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ গড়ে তোলেন অভিজিৎ। NEET প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে তিনি আমেরিকা থেকে দেশে ফেরেন। তাঁর বক্তব্য, “গলা না চড়াতে পারলে পরিবর্তন আসবে না। ঐক্যবদ্ধ, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের গায়ে হাত দিতে পারবে না সরকার। আরশোলাদের ওদের ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই।”

শনিবারের সভা থেকে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী Dharmendra Pradhan-এর পদত্যাগের দাবিও তোলা হয়। অভিজিৎ স্পষ্ট জানিয়েছেন, আগামী সাত দিনের মধ্যে শিক্ষামন্ত্রী পদ না ছাড়লে তাঁরা আবারও রাস্তায় নামবেন। তাঁর অভিযোগ, “ধর্মেন্দ্র প্রধান একটা গোটা প্রজন্মের সঙ্গে অন্যায় করেছেন। ওঁকে যদি সরানো না হয় অথবা উনি যদি আগামী সাত দিনের মধ্যে পদত্যাগ না করেন, আমরা রাস্তায় আন্দোলন চালিয়ে যেতে বাধ্য হব।”

দিল্লির এই বিক্ষোভে শুধু পরীক্ষার্থীরাই নন, অংশ নেন ডাক্তারি পড়ুয়ারা, বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া তরুণ-তরুণীরা, অভিভাবক এবং চাকরিজীবীরাও। আন্দোলনের মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষাবিদ ও সমাজকর্মী Sonam Wangchuk। তাঁর উপস্থিতি আন্দোলনকে আরও গুরুত্ব দিয়েছে বলেই মনে করছেন আয়োজকরা।

শিক্ষা ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, পরীক্ষাপদ্ধতিতে জবাবদিহি এবং দায়বদ্ধতার দাবিতে শুরু হওয়া এই আন্দোলন আগামী দিনে কোন পথে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহল থেকে শুরু করে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now