রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে ভোটারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা জারি করল Election Commission of India। বুধবার, ২৯ এপ্রিল সাতটি জেলার ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণকে কেন্দ্র করে কী কী নথি সঙ্গে রাখা বাধ্যতামূলক এবং কী কী বিকল্প রয়েছে—তা স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।
কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, ভোট দিতে গেলে আদর্শভাবে ভোটার কার্ড ও ভোটার স্লিপ—দুটিই সঙ্গে রাখতে বলা হয়েছে। তবে ভোটার কার্ড না থাকলেও ভোটাধিকার খর্ব হবে না, যদি ভোটার তালিকায় নাম থাকে। সেক্ষেত্রে বিকল্প হিসেবে একাধিক পরিচয়পত্র গ্রহণযোগ্য বলে জানিয়েছে কমিশন।
এই বিকল্প তালিকায় রয়েছে আধার কার্ড, প্যান কার্ড, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ছবি-সহ ব্যাঙ্ক বা পোস্ট অফিসের পাসবই, ১০০ দিনের কাজের জব কার্ড, পেনশনের নথি, শ্রম মন্ত্রকের বিভিন্ন প্রকল্পের স্মার্ট কার্ড, স্বাস্থ্যবিমা কার্ড, সরকারি কর্মীদের পরিচয়পত্র, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের জারি করা আইডি এবং সামাজিক ন্যায় ও ক্ষমতায়ন মন্ত্রকের দেওয়া প্রতিবন্ধী পরিচয়পত্র (UDID)। অর্থাৎ, ভোটার কার্ড না থাকলেও এই নথিগুলির মধ্যে যেকোনও একটি থাকলেই ভোট দেওয়া সম্ভব।
তবে নিরাপত্তার কারণে ভোটকেন্দ্রে কিছু জিনিস বহনে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। দাহ্য পদার্থ, মোবাইল ফোন, ধারালো বস্তু বা লাইটারের মতো সামগ্রী নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না।
অন্যদিকে, সাধারণ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র, পানীয় জল বা প্রবীণ এবং বিশেষভাবে সক্ষম ভোটারদের প্রয়োজনীয় সামগ্রী সঙ্গে নেওয়ার অনুমতি রয়েছে।
এসআইআর প্রক্রিয়ার পর ভোটার তালিকা নিয়ে নানা প্রশ্নের মধ্যে, এই নির্দেশিকার মাধ্যমে ভোটারদের অংশগ্রহণ সহজ করতেই উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ফলে, প্রয়োজনীয় নথি থাকলেই ভোটাধিকার প্রয়োগে আর বাধা থাকবে না—এমনটাই স্পষ্ট বার্তা কমিশনের।





