Sainik School admission process: আপনার সন্তানের ভবিষ্যৎ কি সেনাবাহিনীতে দেখতে চান? তাহলে এখনই জেনে নিন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পথ।
সৈনিক স্কুলে ভর্তি হওয়া মানেই ভবিষ্যতের জন্য এক শক্ত ভিত্তি তৈরি করা। এই স্কুলগুলো শুধু পড়াশোনা নয়, বরং শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব এবং শারীরিক সক্ষমতার মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের প্রতিরক্ষা বাহিনীর জন্য প্রস্তুত করে।
কীভাবে ভর্তি হবে?
সৈনিক স্কুলে ভর্তি হওয়ার জন্য সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষা AISSEE পাস করা বাধ্যতামূলক। এই পরীক্ষা পরিচালনা করে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA)। শুধুমাত্র পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেই নয়, পরবর্তী ধাপেও উত্তীর্ণ হতে হয়।
ভর্তির প্রধান ধাপ
১. লিখিত পরীক্ষা – মেধা তালিকায় নাম থাকা জরুরি
২. মেডিক্যাল টেস্ট – শারীরিক ও মানসিক ফিটনেস যাচাই
৩. কাউন্সেলিং – ডকুমেন্ট যাচাই ও সিট বরাদ্দ
কোন ক্লাসে ভর্তি নেওয়া হয়?
ষষ্ঠ ও নবম শ্রেণীতে ভর্তি নেওয়া হয়।
– ষষ্ঠ শ্রেণী: বয়স ১০ থেকে ১২ বছর
– নবম শ্রেণী: বয়স ১৩ থেকে ১৫ বছর
ছেলে ও মেয়ে উভয়েই এখন আবেদন করতে পারে, যা বড় পরিবর্তন।
পরীক্ষার ধরন
ষষ্ঠ শ্রেণীর জন্য ৩০০ নম্বরের পরীক্ষা, যেখানে গণিত, সাধারণ জ্ঞান, ভাষা ও বুদ্ধিমত্তা অন্তর্ভুক্ত।
নবম শ্রেণীর জন্য ৪০০ নম্বরের পরীক্ষা, যেখানে গণিত, ইংরেজি, বিজ্ঞান ও সামাজিক বিজ্ঞান থাকে।
খরচ কত?
সৈনিক স্কুলে পড়ার বার্ষিক খরচ প্রায় ১.৫ লক্ষ থেকে ১.৮ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। এর মধ্যে টিউশন ফি, খাবার, ইউনিফর্ম এবং অন্যান্য খরচ অন্তর্ভুক্ত।
তবে কম আয়ের পরিবারের জন্য সরকার ৩০,০০০ থেকে ৬০,০০০ টাকা পর্যন্ত বৃত্তি দেয়, যা বড় স্বস্তি।
কেন সৈনিক স্কুল গুরুত্বপূর্ণ?
এই স্কুলগুলোকে বলা হয় ভারতীয় সেনাবাহিনীর ভবিষ্যৎ অফিসার তৈরির কেন্দ্র। এখান থেকে বহু ছাত্র NDA ও অন্যান্য প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করে।
বর্তমানে দেশে প্রায় ৩৩টি সৈনিক স্কুল রয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও নতুন স্কুল চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।
শেষ কথা
যদি আপনার লক্ষ্য থাকে সন্তানের শৃঙ্খলাপূর্ণ জীবন ও উজ্জ্বল ক্যারিয়ার, তাহলে সৈনিক স্কুল হতে পারে সেরা সিদ্ধান্ত।





