পড়াশোনার পাশাপাশি দ্রুত আয় করতে চান? কম্পিউটারে হাত পাকা থাকলে আপনার জন্য খুলে যেতে পারে ডেটা এন্ট্রি অপারেটরের চাকরির দরজা। স্বল্প যোগ্যতায় শুরু করার সুযোগ থাকায় এই পেশা এখন অনেক তরুণ-তরুণীর কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
কী যোগ্যতা প্রয়োজন
অনেক বেসরকারি সংস্থা দ্বাদশ উত্তীর্ণদেরই এই পদে সুযোগ দেয়, যদি তাদের কম্পিউটারে কাজ করার দক্ষতা থাকে। তবে স্থায়ী সরকারি চাকরি বা বড় সংস্থায় কাজ করতে গেলে স্নাতক হওয়া প্রায় বাধ্যতামূলক। পাশাপাশি কম্পিউটারের বেসিক জ্ঞান এবং ডেটা ম্যানেজমেন্ট সংক্রান্ত কোনও কোর্স থাকলে বাড়তি সুবিধা মেলে।
কী কাজ করতে হয়
ডেটা এন্ট্রি অপারেটরের কাজ শুধু টাইপ করা নয়। কম্পিউটারে তথ্য সংরক্ষণ, ডেটার ব্যাকআপ রাখা, বিভিন্ন রিপোর্ট তৈরি করা, ফাইল সুরক্ষিত রাখা—এসবই দৈনন্দিন দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। এমএস অফিসের বিভিন্ন টুল ব্যবহার করতে জানতে হয়।
বেতন কত
এই পেশায় শুরুতেই খুব বেশি বেতন না মিললেও অভিজ্ঞতার সঙ্গে তা বাড়ে। নতুনদের ক্ষেত্রে মাসিক আয় সাধারণত ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকার মধ্যে থাকে। কিছুদিন কাজের অভিজ্ঞতা হলে সেই বেতন ১৫ থেকে ২৫ হাজার টাকাও হতে পারে।
কোথায় মিলবে চাকরি
রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি দফতর এবং জেলা হাসপাতালগুলিতে চুক্তিভিত্তিক ডেটা এন্ট্রি অপারেটর নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি মাঝেমধ্যেই প্রকাশিত হয়। কেন্দ্রের অধীনেও ডিজিটাল প্রকল্পগুলিতে এই ধরনের কর্মীর চাহিদা থাকে।
তবে শুধু সরকারি ক্ষেত্রেই নয়, বেসরকারি সংস্থাগুলিতেও এই পদের চাহিদা যথেষ্ট। অনেক সময় সংস্থার নিজস্ব ওয়েবসাইটেই নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়।
যাঁরা দ্রুত কাজ শুরু করতে চান, তাঁদের জন্য ডেটা এন্ট্রি অপারেটরের কাজ হতে পারে একটি বাস্তবসম্মত পথ। দক্ষতা বাড়লে ভবিষ্যতে আরও ভালো সুযোগও মিলতে পারে।





