সিলিন্ডারের ঝামেলা শেষ হতে চলেছে? LPG সঙ্কটের মধ্যেই এখন অনেকেই পাইপলাইন গ্যাস বা PNG-র দিকে ঝুঁকছেন। কিন্তু এই সংযোগ নিতে গেলে কত খরচ এবং কীভাবে আবেদন করতে হয়, তা নিয়ে রয়েছে একাধিক প্রশ্ন।
PNG সংযোগ কীভাবে পাবেন?
প্রথমেই দেখতে হবে আপনার এলাকায় PNG পরিষেবা রয়েছে কি না। প্রতিটি শহরে নির্দিষ্ট সিটি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন সংস্থা এই পরিষেবা দেয়। সংশ্লিষ্ট কোম্পানির ওয়েবসাইটে পিন কোড দিয়ে সহজেই এটি যাচাই করা যায়।
অনলাইন ও অফলাইন আবেদন
PNG পরিষেবা থাকলে অনলাইন বা স্থানীয় কাস্টমার কেয়ার সেন্টারের মাধ্যমে আবেদন করা যায়। আবেদন করার সময় পরিচয়পত্র, ঠিকানার প্রমাণ এবং বাড়ির মালিকানার নথি জমা দিতে হয়।
কত খরচ পড়বে?
গৃহস্থালি PNG সংযোগের জন্য সাধারণত ৫,০০০ থেকে ১০,০০০ টাকার মধ্যে সিকিউরিটি ডিপোজিট দিতে হয়, যা ফেরতযোগ্য। অনেক ক্ষেত্রে নতুন সংযোগের জন্য প্রায় ৭,০০০ টাকা নেওয়া হয়, যার মধ্যে নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্যের পাইপলাইন অন্তর্ভুক্ত থাকে।
ইনস্টলেশন প্রক্রিয়া
আবেদন ও পেমেন্টের পর কোম্পানি সাইট পরিদর্শন করে। অনুমোদন মিললে টেকনিশিয়ানরা পাইপলাইন ও মিটার বসান এবং নিরাপত্তা পরীক্ষার পর গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়। আগে থেকেই পাইপলাইন থাকলে ৭ থেকে ১৫ দিনের মধ্যেই সংযোগ চালু হয়ে যেতে পারে।
PNG ব্যবহারের সুবিধা
এই পরিষেবায় গ্যাস সরবরাহ থাকে নিয়মিত। LPG-এর মতো বারবার বুকিংয়ের প্রয়োজন হয় না এবং ব্যবহার অনুযায়ী মাসিক বিল দিতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে এটি তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ীও হতে পারে।
সব জায়গায় এখনও পরিষেবা নেই
দিল্লি, মুম্বই বা গুজরাতের মতো শহরে PNG পরিষেবা বেশ বিস্তৃত হলেও দেশের অনেক জায়গায় এখনও ধীরে ধীরে এই নেটওয়ার্ক তৈরি হচ্ছে।
সব মিলিয়ে, যারা দীর্ঘমেয়াদে ঝামেলাহীন গ্যাস পরিষেবা চান, তাঁদের জন্য PNG একটি সুবিধাজনক বিকল্প হয়ে উঠছে।





