রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর বদলাচ্ছে টলিপাড়ার অন্দরমহলের সমীকরণও। নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত একাধিক তারকার হাতে এখন ইন্ডাস্ট্রির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। আর এই আবহেই দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে টলিউডে রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে সরব হলেন অভিনেত্রী পায়েল সরকার (Paayel Sarkar)।
সম্প্রতি ‘সপ্তডিঙার গুপ্তধন’ ছবির বিশেষ প্রদর্শনীতে দেখা যায় তাঁকে। সাধারণত টলিউডের নানা অনুষ্ঠানে খুব বেশি দেখা যায় না পায়েলকে। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর পরিস্থিতি কি কিছুটা বদলেছে? সেই প্রশ্নের উত্তরে অভিনেত্রী বলেন, “আচরণের কিছুটা পরিবর্তন তো হয়েছে। তবে সব জায়গায় আমন্ত্রণ পেতাম, এমনও নয়। আবার কিছু অনুষ্ঠানে আমারও যাওয়া হয়ে উঠত না।”

তবে এখানেই থামেননি তিনি। টলিউডে কাজ পাওয়া বা বাদ পড়ার পিছনে রাজনৈতিক অবস্থানের প্রভাব রয়েছে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন পায়েল। তাঁর কথায়, “আমি বরাবর মনে করি শিল্প আর রাজনীতি আলাদা হওয়া উচিত। কিন্তু আমার সঙ্গে এমন বহুবার হয়েছে, কাজের কথা প্রায় চূড়ান্ত হওয়ার পর হঠাৎ জানানো হয়েছে পরে কথা হবে। পরে দেখেছি, অন্য কাউকে নেওয়া হয়েছে।”
কিছুদিন আগে ইন্ডাস্ট্রিতে গুঞ্জন ছড়িয়েছিল, অতিরিক্ত পারিশ্রমিক চাওয়ার কারণেই নাকি কাজ কমে গিয়েছে তাঁর। সেই অভিযোগও উড়িয়ে দিয়েছেন অভিনেত্রী। পায়েলের বক্তব্য, “পারিশ্রমিক পর্যন্ত কথা পৌঁছনোর আগেই তো বাদ দেওয়া হত। আর ২০১৬ সালে যে পারিশ্রমিক পেতাম, এত বছর পরেও কি সেটাই নেব?”
বর্তমান রাজনৈতিক পরিবর্তন তাঁর কেরিয়ারে নতুন সুযোগ এনে দেবে কি না, তা নিয়ে অবশ্য স্পষ্ট কিছু বলতে চাননি পায়েল। তবে তিনি মনে করেন, যে সরকারই ক্ষমতায় থাকুক না কেন, শিল্পজগতের সিদ্ধান্তে রাজনৈতিক প্রভাব পড়া উচিত নয়।
ভবিষ্যতে সক্রিয় রাজনীতিতে আরও বড় ভূমিকা নেবেন কি না, সেই প্রশ্নেও আপাতত ধোঁয়াশাই রেখেছেন অভিনেত্রী। তাঁর কথায়, সময়ই সব উত্তর দেবে।








