অভিনেতা তথা তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক সোহম চক্রবর্তীকে ঘিরে ফের বিতর্ক। এ বার তাঁর বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ এনে চারু মার্কেট থানায় FIR দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ, একটি ছবিতে অভিনয়ের জন্য অগ্রিম হিসেবে ১ কোটি ৫ লক্ষ টাকা নেওয়ার পরেও নির্ধারিত কাজ করেননি অভিনেতা। অভিযোগপত্রে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক ধারার পাশাপাশি জামিনঅযোগ্য ধারাও যুক্ত করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।
অভিযোগকারী তরুণ দাস দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটের মঙ্গলপুর এলাকার বাসিন্দা। তিনি চলচ্চিত্র প্রযোজনার সঙ্গেও যুক্ত। তাঁর দাবি, নতুন একটি ছবির জন্য সোহম চক্রবর্তীর সঙ্গে চুক্তি হয়েছিল। সেই অনুযায়ী বিপুল পরিমাণ অর্থও দেওয়া হয়। কিন্তু টাকা গ্রহণের পরেও অভিনেতা ছবির কাজে অংশ নেননি বলে অভিযোগ।
যদিও এই বিতর্কে একতরফা অবস্থান নেননি সোহম। এর আগে একই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর অভিনেতা দাবি করেছিলেন, ওই প্রযোজকের পক্ষ থেকে তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে। সেই অভিযোগও যথেষ্ট চর্চার জন্ম দিয়েছিল টলিপাড়ায়।
সোহমকে ঘিরে বিতর্ক অবশ্য নতুন নয়। গত কয়েক বছরে একাধিক ঘটনায় তাঁর নাম শিরোনামে উঠে এসেছে। বিশেষ করে ২০২৪ সালের জুন মাসে নিউটাউনের একটি রেস্তোরাঁয় শুটিং চলাকালীন বচসা ও মারধরের অভিযোগ ঘিরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। অভিযোগ ছিল, রেস্তোরাঁর মালিককে শারীরিকভাবে হেনস্থা করেছিলেন অভিনেতা।
সেই সময় সোহম অভিযোগ অস্বীকার না করে ঘটনার ব্যাখ্যায় বলেছিলেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি তাঁর রাজনৈতিক নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে কটূক্তি করেছিলেন। তবে পরে প্রকাশ্যে আসা সিসিটিভি ফুটেজে তাঁকে মারধর করতে দেখা গিয়েছিল বলে দাবি ওঠে। ঘটনাটি নিয়ে রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছিল।
নতুন প্রতারণার অভিযোগের পর আবারও চর্চার কেন্দ্রে সোহম চক্রবর্তী। তদন্তে কী তথ্য উঠে আসে এবং অভিযোগের জবাবে অভিনেতা পরবর্তী সময়ে কী অবস্থান নেন, সেদিকেই এখন নজর সংশ্লিষ্ট মহলের।








