অভিষেকের গায়ে হাত! সোনারপুরের ঘটনায় উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি

On: Saturday, May 30, 2026 5:47 PM
---Advertisement---

ভোট-পরবর্তী হিংসার আবহে সোনারপুরে নিহত এক তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। অভিযোগ, মৃত কর্মীর বাড়িতে প্রবেশের সময় একদল বিক্ষোভকারী তাঁকে ঘিরে ধরে শারীরিকভাবে আক্রমণ করে। তাঁর মাথা, ঘাড় ও শরীরে চড়-ঘুষি মারা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে।

ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়। সূত্রের খবর, সেই সময় কালীঘাটে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের দুই মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় (Shovandeb Chattopadhyay) এবং চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য (Chandrima Bhattacharya)। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)-র নির্দেশে তাঁরা দ্রুত সোনারপুরের উদ্দেশে রওনা দেন।

ঘটনা নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন মহম্মদ সেলিম (Mohammed Salim)। তিনি বলেন, “উনি (অভিষেক) শত শত পুলিশের প্রহরায় হুঙ্কার দিয়েছিলেন, কোন বাপ আছে দেখে নেবেন। সেটাও যেমন গণতন্ত্রে উচিত নয়, আজকের ঘটনাও কাম্য নয়।”

অন্যদিকে, সোনারপুরের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মুখ খুলেছেন শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)। তিনি বলেন, “পুলিশ কেন নেই, সেটা তো আমি বলতে পারি না। আমি তো দলের প্রতিনিধি। সেটা পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার বলতে পারবে।”

বিজেপির রাজ্য সভাপতি অতীতের একটি ঘটনার উল্লেখ করে দাবি করেন, বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)-কে উত্তরবঙ্গে গাড়িতে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা হয়েছিল। একইসঙ্গে তিনি বলেন, “তৃণমূল আমাদের কর্মীদের সঙ্গে যে অত্যাচার করেছে, আমরা সংযত ছিলাম বলেই আজ তৃণমূল অক্ষত আছে।”

সোনারপুরের ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর ইতিমধ্যেই তীব্র হয়েছে। ভোট-পরবর্তী হিংসা নিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে উত্তেজনা অব্যাহত থাকায় এই হামলার ঘটনাও নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। প্রশাসনের ভূমিকা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক সংঘাত— সবকিছু নিয়েই শুরু হয়েছে নতুন প্রশ্ন।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now