গরমে হাঁসফাঁস দক্ষিণবঙ্গ, কবে মিলবে স্বস্তির বৃষ্টি, কী বলছে হাওয়া অফিস

On: Monday, May 25, 2026 9:30 PM
---Advertisement---

কয়েক দিন ধরেই তীব্র গরম ও আর্দ্রতায় নাজেহাল দক্ষিণবঙ্গ। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই স্বস্তির খবর শোনাল আবহাওয়া দফতর। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, সপ্তাহের মাঝামাঝি থেকেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ঝড়বৃষ্টি শুরু হতে পারে। তার জেরে তাপমাত্রাও কিছুটা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার কলকাতা এবং হাওড়ায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। অন্য দিকে রাজ্যের হুগলি এবং উত্তর ২৪ পরগণা জেলায় বুধবার থেকেই আবহাওয়ার পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। বৃহস্পতিবার সেখানে ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে বলে সতর্ক করেছে হাওয়া অফিস।

দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে অবশ্য পরিস্থিতি আরও সক্রিয় হতে পারে। রবিবার পর্যন্ত টানা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে এই দুই জেলায়।

দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতেও ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়ায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। যদিও পশ্চিমের জেলাগুলিতে বৃষ্টির মধ্যেও গরমের অস্বস্তি পুরোপুরি কাটবে না বলেই জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর।

তাপমাত্রার ক্ষেত্রেও কিছুটা পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে। আগামী তিন দিনে বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা না থাকলেও, তার পরের তিন দিনে দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি পর্যন্ত কমতে পারে। সোমবার সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৩ ডিগ্রিরও বেশি। আগের দিন শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

উত্তরবঙ্গেও ঝড়বৃষ্টির পরিস্থিতি জারি থাকবে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে বিক্ষিপ্ত ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে তাপমাত্রাও কিছুটা কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

আবহাওয়াবিদদের মতে, দক্ষিণ বিহার ও সংলগ্ন এলাকায় একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি বিহার থেকে উপকূলীয় অন্ধ্রপ্রদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত একটি অক্ষরেখাও সক্রিয় রয়েছে। এর জেরে বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকছে রাজ্যে। সেই কারণেই উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গ— দুই অংশেই ঝড়বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now