রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন ব্রিগেডের শপথমঞ্চে নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। সেই অনুষ্ঠানেই হাজির ছিলেন টলিউডের একঝাঁক পরিচিত মুখ। আর তাঁদের মধ্যেই সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছেন Jeet। ভোটের দিন বুথ থেকে বেরোনোর পর থেকেই তাঁকে নিয়ে যে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছিল, শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে তাঁর উপস্থিতির পর তা আরও তীব্র হয়।
বিশেষ করে সমাজমাধ্যমে বিজেপি সরকারকে স্বাগত জানিয়ে জিতের পোস্ট সামনে আসার পর থেকেই প্রশ্ন উঠছিল, দীর্ঘদিন নিজেকে ‘অরাজনৈতিক’ বলে দাবি করা এই তারকা কি তবে সক্রিয় রাজনীতির দিকে পা বাড়াচ্ছেন? সেই কৌতূহলের আবহেই অভিনেতার তরফে এল স্পষ্ট বার্তা।
নিজের ঘনিষ্ঠ সহকারীর মাধ্যমে পাঠানো লিখিত প্রতিক্রিয়ায় জিৎ জানিয়েছেন, “জয়ী দল এবং নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তাঁর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। তাঁকে সম্মান জানিয়ে সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছি। একই সঙ্গে তাঁকে শুভেচ্ছা জানাতে অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছি।”
সেদিন সাদা পাঞ্জাবি-চোস্ত ও গেরুয়া উত্তরীয় পরে অনুষ্ঠানে পৌঁছন অভিনেতা-প্রযোজক। মঞ্চে তাঁর উপস্থিতি ঘিরে দর্শক ও আমন্ত্রিতদের মধ্যেও আলাদা উচ্ছ্বাস চোখে পড়ে। কারণ, এত দিন কোনও রাজনৈতিক দলের প্রচারে তাঁকে দেখা যায়নি। ফলে রাজনৈতিক মঞ্চে তাঁর উপস্থিতি নিয়ে স্বাভাবিক ভাবেই শুরু হয় নানা আলোচনা।
তবে সেই জল্পনায় জল ঢেলেই জিৎ মনে করিয়ে দিয়েছেন, ২০১১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার সময়ও তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তাঁর কথায়, তখনও আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন এবং সৌজন্য রক্ষা করেই অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন।
অভিনেতার বক্তব্য, তাঁর এই উপস্থিতিকে রাজনৈতিক রং না-দেওয়াই ভাল। কারণ, তিনি এখনও কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন।
এ দিনের অনুষ্ঠানে জিৎ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় (Prosenjit Chatterjee), পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তী (Pandit Ajoy Chakrabarty), মমতা শঙ্কর (Mamata Shankar?, Jisshu Sengupta এবং Payel Sarkar-সহ একাধিক তারকা। ছোটপর্দা থেকেও হাজির ছিলেন বহু পরিচিত মুখ। তবে এতসব উপস্থিতির মাঝেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থেকে গেলেন জিৎই।








