আন্তর্জাতিক অস্থিরতার প্রভাব পড়েছে সোনার বাজারে। ইরান-ইজ়রায়েল সংঘাত ঘিরে অনিশ্চয়তা বাড়তেই বিনিয়োগকারীদের ভরসার জায়গা হয়ে উঠেছে সোনা, ফলে দামও ছুঁইছুঁই উচ্চতায়। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ ক্রেতাদের একাংশের মনে প্রশ্ন—বাজারের সুযোগে কি গয়নার বিশুদ্ধতায় কারচুপি হচ্ছে?
এই আশঙ্কা মাথায় রেখেই কেন্দ্রীয় সরকার এনেছে নতুন ব্যবস্থা। এখন আর শুধু দোকানদারের কথায় ভরসা করতে হবে না। স্মার্টফোনের সাহায্যেই গয়নার সোনার বিশুদ্ধতা যাচাই করতে পারবেন ক্রেতা।
যেমন প্রতিটি মোবাইল ফোনের একটি আলাদা আইএমইআই নম্বর থাকে, তেমনই প্রতিটি সোনার অলঙ্কারের জন্য নির্দিষ্ট একটি ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন নম্বর বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই নম্বরকে বলা হয় ‘এইচইউআইডি’। ২০২৩ সাল থেকে হলমার্ক করা গয়নায় এই নম্বর খোদাই করে দেওয়া বাধ্যতামূলক।
এই ‘এইচইউআইডি’ নম্বরই হয়ে উঠছে ক্রেতার নিরাপত্তার চাবিকাঠি। কেন্দ্রের নির্দিষ্ট মোবাইল অ্যাপে নম্বরটি বসালেই স্ক্রিনে ভেসে উঠবে গয়নার বিশুদ্ধতা, ক্যারেট এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। ফলে নকল বা কম বিশুদ্ধতার সোনা কেনার ঝুঁকি অনেকটাই কমে যাচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, গয়না কেনার সময় এই অ্যাপ ফোনে রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ। দোকানে বসেই নম্বর যাচাই করে নেওয়া উচিত। কোনও অজুহাতেই এই পরীক্ষা এড়িয়ে যাওয়া ঠিক নয়। সোনার বাজারে দাম যতই বাড়ুক, সচেতনতা থাকলে ঠকতে হবে না—এই বার্তাই দিচ্ছে নতুন এই ডিজিটাল ব্যবস্থা।






