TVS Raider 125: কম খরচে বেশি মাইলেজ! ১ লিটার পেট্রোলে ৬০ কিমি চলবে এই বাইক

On: Sunday, August 2, 2026 6:51 PM
---Advertisement---

১২৫ সিসি সেগমেন্টে নতুন মোটরসাইকেল কেনার পরিকল্পনা থাকলে TVS Raider হতে পারে অন্যতম পছন্দ। স্পোর্টি ডিজাইন, আধুনিক প্রযুক্তি, ভালো মাইলেজ এবং দৈনন্দিন ব্যবহারের উপযোগী পারফরম্যান্সের কারণে বাইকটি ইতিমধ্যেই তরুণদের মধ্যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। অফিস, কলেজ বা প্রতিদিনের যাতায়াতের জন্য এই মডেলকে গুরুত্ব দিচ্ছেন অনেক ক্রেতাই।

TVS Raider-এ রয়েছে ১২৪.৮ সিসির সিঙ্গল-সিলিন্ডার, এয়ার ও অয়েল-কুলড ইঞ্জিন। এই ইঞ্জিন সর্বোচ্চ ১১.২ bhp শক্তি এবং ১১.৭৫ Nm টর্ক উৎপন্ন করে। সঙ্গে রয়েছে ৫-স্পিড গিয়ারবক্স, যা শহরের যানজট থেকে শুরু করে হাইওয়ে—দুই ক্ষেত্রেই মসৃণ রাইডিংয়ের অভিজ্ঞতা দেয়। কম গতিতে নিয়ন্ত্রণ সহজ হওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত গতিও তোলা যায়।

দামের দিক থেকেও বাইকটি প্রতিযোগিতামূলক। TVS Raider-এর ড্রাম ব্রেক ভ্যারিয়েন্টের এক্স-শোরুম দাম শুরু হচ্ছে ৮৩,৪১০ টাকা থেকে।

মাইলেজের ক্ষেত্রেও ভালো দাবি করেছে সংস্থা। TVS-এর দাবি, Raider প্রতি লিটারে প্রায় ৫৩ কিলোমিটার পর্যন্ত চলতে পারে। নিয়মিত সার্ভিসিং এবং সঠিকভাবে ব্যবহার করলে অনেক গ্রাহক ৫৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার প্রতি লিটার পর্যন্ত মাইলেজ পাওয়ার অভিজ্ঞতার কথাও জানিয়েছেন। ফলে দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানির খরচ তুলনামূলক কম হতে পারে।

ফিচারের দিক থেকেও বাইকটি যথেষ্ট সমৃদ্ধ। স্ট্যান্ডার্ড ভ্যারিয়েন্টে ডিজিটাল ইনস্ট্রুমেন্ট ক্লাস্টার, LED হেডলাইট, USB চার্জিং পোর্ট এবং ইঞ্জিন স্টার্ট-স্টপ সিস্টেম রয়েছে। অন্যদিকে উচ্চতর ভ্যারিয়েন্টে TFT ডিসপ্লে, ব্লুটুথ কানেক্টিভিটি, কল ও এসএমএস অ্যালার্ট, টার্ন-বাই-টার্ন নেভিগেশন এবং ভয়েস অ্যাসিস্টের মতো স্মার্ট ফিচারও পাওয়া যায়।

নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও একাধিক বিকল্প রয়েছে। বেস ভ্যারিয়েন্টে ড্রাম ব্রেক থাকলেও, উচ্চতর সংস্করণে ফ্রন্ট ডিস্ক ব্রেক এবং কিছু ভ্যারিয়েন্টে সিঙ্গল-চ্যানেল ABS দেওয়া হয়েছে। ফলে হঠাৎ ব্রেক করার সময় বাইকের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে সুবিধা হয়।

লম্বা ও আরামদায়ক সিট, তুলনামূলক হালকা ওজন এবং আরামদায়ক সাসপেনশন সেটআপের কারণে শহরের পাশাপাশি দীর্ঘ পথেও এই বাইক চালাতে স্বস্তি পাওয়া যায়। প্রতিদিন ৩০ থেকে ৭০ কিলোমিটার পর্যন্ত যাতায়াত করেন এমন ব্যবহারকারীদের জন্য এটি একটি কার্যকর বিকল্প হতে পারে।

তবে কেনার আগে নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী ভ্যারিয়েন্ট বেছে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। শুধুমাত্র দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য হলে বেস মডেল যথেষ্ট হতে পারে। আর অতিরিক্ত ফিচার ও উন্নত নিরাপত্তা চাইলে ডিস্ক ব্রেক এবং ব্লুটুথ-সহ উচ্চতর ভ্যারিয়েন্ট বিবেচনা করা যেতে পারে। পাশাপাশি অন-রোড দাম, সার্ভিস সেন্টারের সুবিধা এবং স্পেয়ার পার্টসের সহজলভ্যতা সম্পর্কেও আগে থেকে খোঁজ নেওয়া উচিত।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now