রান্নার গ্যাস বলতে অধিকাংশেরই মনে আসে ১৪.২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের কথা। তবে যাঁদের গ্যাসের ব্যবহার কম, তাঁদের জন্য অনেক দিন ধরেই ৫ কেজির একটি বিশেষ এলপিজি সিলিন্ডার বাজারে রয়েছে। ইন্ডিয়ান অয়েলের এই সিলিন্ডারের নাম ‘ছোটু’। কম ব্যবহারকারী, ছাত্রছাত্রী, ভাড়াবাড়িতে থাকা কর্মী কিংবা ছোট পরিবারের জন্য এটি সুবিধাজনক বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হয়।
এই সিলিন্ডারের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, এটি কিনতে সাধারণ এলপিজি সংযোগের প্রয়োজন হয় না। শুধু বৈধ পরিচয়পত্র দেখিয়েই গ্রাহকরা এটি কিনতে পারেন। ঠিকানার প্রমাণপত্র জমা দেওয়ারও প্রয়োজন নেই।
ইন্ডিয়ান অয়েলের ফ্রি ট্রেড এলপিজি ক্যাটেগরির অধীনে থাকা এই ৫ কেজির সিলিন্ডার দেশের বিভিন্ন শহরে ব্যবহার করা যায়। অন্য শহরে পড়াশোনা বা চাকরির জন্য থাকা ব্যক্তিদের কাছে এটি বিশেষভাবে উপযোগী। এছাড়া হোস্টেল, ছোট দোকান বা কম সদস্যের পরিবারের জন্যও এটি কার্যকর বিকল্প।
এই সিলিন্ডারের আরও একটি আকর্ষণীয় সুবিধা হল বাইব্যাক ব্যবস্থা। ভবিষ্যতে সিলিন্ডারের প্রয়োজন না থাকলে, যেখান থেকে কেনা হয়েছিল সেখানেই ফেরত দিয়ে প্রতি সিলিন্ডারে ৫০০ টাকা পর্যন্ত বাইব্যাক পাওয়া যেতে পারে।
রিফিলের ক্ষেত্রেও রয়েছে সুবিধা। দেশের বিভিন্ন ইন্ডিয়ান অয়েল ডিস্ট্রিবিউটর, নির্দিষ্ট ইন্ডিয়ান অয়েল পেট্রোল পাম্প এবং কিছু অনুমোদিত স্টোর ও সুপারমার্কেট থেকে এই সিলিন্ডার রিফিল করা যায়।
এদিকে, রান্নার গ্যাস সরবরাহ আরও সহজ করতে অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলিও নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে। সম্প্রতি সুইগি ইনস্টামার্ট, হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেডের সঙ্গে যৌথভাবে এলপিজি সিলিন্ডার ডেলিভারি পরিষেবা চালুর ঘোষণা করেছে। আপাতত এই পরিষেবা বেঙ্গালুরুতে শুরু হয়েছে। সেখানে এইচপিসিএলের ১০ কেজির কম্পোজিট সিলিন্ডারের পাশাপাশি ৫ কেজির ছোট সিলিন্ডারও অর্ডার করা যাচ্ছে। এই পরিষেবার ক্ষেত্রেও প্রচলিত এলপিজি কানেকশন থাকা বাধ্যতামূলক নয়।
যাঁদের নিয়মিত গ্যাসের প্রয়োজন কম বা অস্থায়ীভাবে অন্য শহরে থাকতে হয়, তাঁদের জন্য ৫ কেজির এই ছোট এলপিজি সিলিন্ডার কম খরচে এবং কম ঝামেলায় রান্নার গ্যাস ব্যবহারের একটি কার্যকর বিকল্প হতে পারে।








