পশ্চিমবঙ্গে রেশন কার্ডের ব্যবহার ও বৈধতা নিয়ে গ্রাহকদের সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে খাদ্য দফতর। দীর্ঘদিন রেশন না তোলা বা কার্ডের তথ্যের সঙ্গে আধার সংক্রান্ত সমস্যা থাকলে কার্ড নিষ্ক্রিয় হয়ে যেতে পারে। তবে নিষ্ক্রিয় হওয়া মানেই কার্ড স্থায়ী ভাবে বাতিল হয়ে যাওয়া নয়। সরকারি নিয়মে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তা পুনরায় সক্রিয় করার সুযোগ রয়েছে।
রাজ্যের নিয়ম অনুযায়ী, কোনও রেশন কার্ডে টানা দু’মাস রেশন না তোলা হলে সেটি নিষ্ক্রিয় করার ব্যবস্থা রয়েছে। একই সঙ্গে একাধিক কার্ড, একই আধারের সঙ্গে একাধিক কার্ড যুক্ত থাকা কিংবা গ্রাহকের স্থায়ী ভাবে ঠিকানা পরিবর্তনের মতো কারণেও কার্ড নিষ্ক্রিয় হতে পারে। অন্য দিকে মৃত গ্রাহকের কার্ড মুছে ফেলার ব্যবস্থাও রয়েছে।
তাই যাঁরা দীর্ঘদিন রেশন তোলেননি, তাঁদের নিজেদের কার্ডের বর্তমান অবস্থা যাচাই করে নেওয়া জরুরি। পশ্চিমবঙ্গ খাদ্য দফতরের পোর্টালে রেশন কার্ডের স্ট্যাটাস দেখা যায়। সেখানে সক্রিয় কার্ডের পাশাপাশি নিষ্ক্রিয় কার্ডও চিহ্নিত করা হয়। আধার সংযুক্তি এবং ই কেওয়াইসি সংক্রান্ত প্রয়োজনীয়তাও স্ট্যাটাসে দেখানো হয়।
কার্ড নিষ্ক্রিয় হয়ে গেলেও আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। খাদ্য দফতরের নিয়ম অনুযায়ী, নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় ই কেওয়াইসি সম্পূর্ণ করে নিষ্ক্রিয় কার্ড পুনরায় সক্রিয় করা যায়। এই কাজ রেশন দোকান, খাদ্য দফতরের সংশ্লিষ্ট অফিস বা বাংলা সহায়তা কেন্দ্রে করা সম্ভব। আধার সংযুক্ত মোবাইল নম্বরের মাধ্যমে অনলাইনেও ই কেওয়াইসি করার সুযোগ রয়েছে।
তবে ১ অক্টোবর থেকে নিষ্ক্রিয় করার জন্য ২১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রেশন তুলতেই হবে, এমন নির্দিষ্ট নির্দেশের তথ্য সরকারি খাদ্য দফতরের ওয়েবসাইটে আমি নিশ্চিত ভাবে খুঁজে পাইনি। তাই এই সময়সীমাটিকে সরকারি নির্দেশিকা হিসেবে প্রচার করার আগে সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তি যাচাই করা জরুরি। সরকারি পোর্টালে বর্তমানে রেশন কার্ডের স্ট্যাটাস যাচাই এবং ই কেওয়াইসির পরিষেবা চালু রয়েছে।






