রেলে এই ৫ পদে চাকরি পেলেই মোটা বেতন, সঙ্গে ফ্রি পাস-ভাতা-চিকিৎসা! জানুন কোন পদে কত শুরু বেতন

On: Tuesday, June 30, 2026 12:43 PM
---Advertisement---

কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে ভারতীয় রেল এখনও দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র। প্রতি বছর বিভিন্ন পদে নিয়োগের জন্য লক্ষ লক্ষ চাকরিপ্রার্থী আবেদন করেন। কারণ শুধু স্থায়ী চাকরি নয়, ভালো বেতন, একাধিক সরকারি ভাতা, চিকিৎসা সুবিধা, রেল ভ্রমণের পাস এবং অবসরের পর আর্থিক নিরাপত্তার মতো একাধিক সুবিধাও মিলছে এই চাকরিগুলিতে।

রেলের বিভিন্ন পদের মধ্যে কয়েকটি এমন রয়েছে, যেখানে যোগদানের শুরু থেকেই তুলনামূলক বেশি বেতন এবং অতিরিক্ত আর্থিক সুবিধা পাওয়া যায়। দেখে নেওয়া যাক সেই পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ পদ।

প্রথমেই রয়েছে লোকো পাইলটের পদ। ট্রেন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা এই পদটি রেলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বগুলির মধ্যে একটি। সপ্তম বেতন কমিশন অনুযায়ী লোকো পাইলটের বেসিক বেতন ১৯,৯০০ টাকা থেকে শুরু হলেও এর সঙ্গে যুক্ত হয় ‘রানিং অ্যালাউয়েন্স’। ফলে হাতে পাওয়া মোট মাসিক আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।

দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্স বা আরপিএফ কনস্টেবল। স্টেশন ও ট্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই তাঁদের মূল দায়িত্ব। বিভিন্ন ভাতা যোগ করে এই পদের কর্মীরা শুরুতেই প্রায় ৪৩ হাজার টাকার মতো মাসিক বেতন পেয়ে থাকেন। পাশাপাশি নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য হিসেবে অন্যান্য সরকারি সুযোগ-সুবিধাও মেলে।

তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ পদ ট্রাভেলিং টিকিট এক্সামিনার বা টিটিই। যাত্রীদের টিকিট পরীক্ষা, নিয়ম মেনে যাত্রা নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন তাঁরা। এই পদের কর্মীদের প্রাথমিক মাসিক আয় প্রায় ৪২ হাজার টাকা। এর পাশাপাশি আউটস্টেশন ডিউটির জন্য অতিরিক্ত ভাতাও দেওয়া হয়।

চতুর্থ স্থানে রয়েছে স্টেশন মাস্টারের পদ। একটি স্টেশনের ট্রেন চলাচল, সিগন্যাল ব্যবস্থা, নিরাপত্তা এবং সামগ্রিক পরিচালনার দায়িত্ব তাঁর উপরেই থাকে। এই পদের শুরুতেই মোট মাসিক বেতন প্রায় ৬৪ হাজার টাকার কাছাকাছি পৌঁছে যায়। এর সঙ্গে বিভিন্ন সরকারি ভাতাও যুক্ত হয়।

তালিকার পঞ্চম পদটি হল আরপিএফ সাব-ইন্সপেক্টর। রেল নিরাপত্তা বাহিনীর অফিসার স্তরের এই পদে দায়িত্বও অনেক বেশি। শুরুতেই প্রায় ৫৫ হাজার টাকার মাসিক বেতন পাওয়া যায়। পাশাপাশি সরকারি আবাসন, চিকিৎসা, ভাতা এবং অন্যান্য পরিষেবাগত সুবিধাও মিলতে পারে।

রেলের এই পদগুলিতে নিয়োগ সাধারণত লিখিত পরীক্ষা, শারীরিক সক্ষমতা পরীক্ষা (যেখানে প্রযোজ্য), নথি যাচাই এবং মেডিক্যাল পরীক্ষার মাধ্যমে করা হয়। তাই যাঁরা ভবিষ্যতে কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরির লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাঁদের কাছে এই পদগুলি নিঃসন্দেহে সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিকল্পগুলির মধ্যে অন্যতম।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now