Mysterious Tabu : রহস্যময় টাবু, কোনও দিন বাবার পদবি নেননি। বিয়ে করেননি। ব্যক্তিগত জীবনের অজানা দিক নিয়ে খোলামেলা কথা বললেন অভিনেত্রী টাবু।
টাবু এমন এক পরিবারে বড় হয়েছেন যেখানে শিল্প সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত মানুষের সংখ্যা অনেক। তাঁর বড় বোন ফরাহ আশির দশকে চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। তিনি শাবানা আজমির আত্মীয়ও। তবু ছোটবেলায় তিনি প্রচারের আলো থেকে অনেকটাই দূরে ছিলেন বলেই জানান।
এক পুরনো টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে টাবু হায়দরাবাদে কাটানো শৈশবের স্মৃতি তুলে ধরেন। বাবা মায়ের বিচ্ছেদের পর তিনি দাদু দিদার কাছেই বড় হন। তাঁর কথায় শৈশব খুব সুন্দর কেটেছে। মা ছিলেন শিক্ষিকা। পরিবারের প্রবীণদের সঙ্গেই বেশি সময় কেটেছে। বিশেষ করে দিদার প্রভাব তাঁর জীবনে গভীর ছাপ ফেলেছে। দিদার প্রার্থনা আর বই পড়ার অভ্যাসের মধ্যেই তিনি বড় হয়েছেন। ছোটবেলায় তিনি খুব ভীতু ছিলেন এবং নিজের কণ্ঠস্বর নিয়ে আত্মবিশ্বাসী ছিলেন না বলেও জানান।
কেন তিনি কখনও বাবার পদবি ব্যবহার করেননি সে বিষয়েও স্পষ্ট মত দেন টাবু। তাঁর পুরো নাম তব্বসুম ফাতিমা। স্কুল জীবনেও ফাতিমাই ছিল তাঁর পরিচয়। বাবার পদবি ব্যবহার করার প্রয়োজন তিনি কখনও অনুভব করেননি। বাবার সঙ্গে কোনও স্মৃতি নেই বলেও জানান। তাঁর বোনের যোগাযোগ থাকলেও নিজের কখনও আগ্রহ জন্মায়নি। নিজের জীবন এবং বেড়ে ওঠা নিয়ে তিনি সন্তুষ্ট।
বিবাহবিচ্ছেদের পর তাঁর বাবা আবার বিয়ে করেন। সেই সংসারে আরও দুই কন্যা সন্তান রয়েছে।
অবিবাহিত থাকা নিয়েও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন টাবু। সমাজের চাপে তিনি সিদ্ধান্ত বদলাননি। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন অবিবাহিত থাকা নিয়ে তিনি কখনও বিরক্ত হননি। কারও মূল্যায়ন বৈবাহিক অবস্থা বা সন্তান আছে কি না দিয়ে করা উচিত নয় বলেই তাঁর মত। মানুষ যদি তাঁকে সে ভাবে বিচার করে তাতেও তিনি গুরুত্ব দেন না।
কাজের ক্ষেত্রে সামনে বেশ কয়েকটি বড় প্রকল্প রয়েছে। বিজয় সেতুপতির সঙ্গে একটি সর্বভারতীয় ছবিতে তাঁকে দেখা যাবে। এছাড়া অক্ষয় কুমারের বিপরীতে একটি হরর কমেডি ছবিতেও অভিনয় করছেন। দুটি ছবিই চলতি বছরে মুক্তির সম্ভাবনা রয়েছে।








