যুব সাথী প্রকল্পের টাকা নিয়ে রাজ্যের বহু যুবক-যুবতীর মধ্যে তৈরি হয়েছে নতুন প্রশ্ন।
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের যুব সাথী প্রকল্পের মাধ্যমে ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সী বেকার যুবক-যুবতীদের প্রতি মাসে ১৫০০ টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছিল। সেই অনুযায়ী গত ৭ মার্চ থেকে প্রথম কিস্তির টাকা উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
তবে অনেক আবেদনকারী জানিয়েছেন, তাঁদের মোবাইলে মেসেজ এলেও এখনও পর্যন্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা জমা পড়েনি।
সূত্রের খবর, যারা অনলাইনে আবেদন করেছিলেন তাঁদের অ্যাকাউন্টেই প্রথমে টাকা ঢোকা শুরু হয়েছে। কারণ অনলাইনে আবেদন করার সময় সমস্ত তথ্য সরাসরি পোর্টালে আপলোড ছিল। ফলে যাচাই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পর দ্রুত টাকা পাঠানো সম্ভব হয়েছে।
অন্যদিকে যারা অফলাইনে আবেদন করেছেন তাঁদের ক্ষেত্রে কিছুটা সময় লাগছে। কারণ অফলাইন আবেদনপত্রের তথ্য প্রথমে ডাটা এন্ট্রি অপারেটরদের মাধ্যমে পোর্টালে আপলোড করা হচ্ছে। এরপর আবার সেই তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।
এই পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে সময় লাগার কারণেই অনেক আবেদনকারীর টাকা এখনও পৌঁছায়নি।
আবেদন যাচাইয়ের সময় কয়েকটি নির্দিষ্ট কারণে আবেদন বাতিল বা পেন্ডিংও হতে পারে। যেমন আবেদনকারীর বয়স অবশ্যই ২১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে হতে হবে। এর বাইরে হলে আবেদন গ্রহণ করা হয় না।
এছাড়া যদি কেউ আগে থেকেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বা অন্য কোনও রাজ্য সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেয়ে থাকেন, তাহলে ভেরিফিকেশনে সমস্যা তৈরি হতে পারে। পরিচয়পত্র বা তথ্যের ভুল থাকলেও আবেদন আটকে যেতে পারে।
অন্যদিকে অনেক আবেদনকারীর ক্ষেত্রে মেসেজ আসার পরেও টাকা না ঢোকার কারণ হতে পারে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সমস্যা।
যদি অ্যাকাউন্টে আধার সিডিং না থাকে, অ্যাকাউন্ট দীর্ঘদিন ব্যবহার না হওয়ায় বন্ধ হয়ে যায় অথবা KYC সম্পূর্ণ না থাকে, তাহলে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে দিতে পারে। সেক্ষেত্রে টাকা জমা পড়তে সমস্যা হয়।
কখনও কখনও ট্রেজারি থেকে টাকা পাঠানোর সময় অ্যাকাউন্ট নম্বর ইনপুটে ভুল হলেও পেমেন্ট ব্যর্থ হতে পারে।
তাই ব্যাঙ্কের সব তথ্য সঠিক থাকার পরেও টাকা না এলে দ্রুত স্থানীয় ব্লক অফিস বা BDO অফিসে যোগাযোগ করে তথ্য সংশোধনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।






