World Cancer Day : হালকা কাশি ভেবে অবহেলা করছেন? সেখান থেকেই শুরু হতে পারে মারাত্মক বিপদ।
প্রতিবছর ৪ ফেব্রুয়ারি পালিত হয় বিশ্ব ক্যানসার দিবস। এই দিনটির মূল উদ্দেশ্য ক্যানসারের মতো মারণরোগ সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা। সারা বিশ্বে ক্যানসারজনিত মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হল ফুসফুস ক্যানসার।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সময়মতো চিকিৎসা শুরু হলে ফুসফুস ক্যানসার থেকেও সুস্থ হয়ে ওঠা সম্ভব। কিন্তু সমস্যা হল, অনেকেই প্রাথমিক লক্ষণগুলোকে গুরুত্ব দেন না। ফলে রোগ ধরা পড়ে দেরিতে।
১. দীর্ঘদিনের কাশি
ফুসফুস ক্যানসারের অন্যতম প্রাথমিক লক্ষণ হল প্রচণ্ড ও দীর্ঘস্থায়ী কাশি। দিনের পর দিন কাশি বাড়তে থাকলে এবং স্বাভাবিক ওষুধে না কমলে সতর্ক হওয়া জরুরি।
২. কাশির সঙ্গে রক্ত
কাশির সময় কফের সঙ্গে লালচে রক্ত বেরোনো খুবই বিপজ্জনক লক্ষণ। এমন উপসর্গ দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া প্রয়োজন।
৩. শ্বাসকষ্ট
ফুসফুসের ভিতরে ক্যানসার কোষ বাড়তে থাকলে শ্বাস নিতে সমস্যা হয়। অল্প পরিশ্রমেই হাঁপিয়ে ওঠা বা শ্বাসকষ্ট ফুসফুস ক্যানসারের ইঙ্গিত হতে পারে।
৪. বুকে ব্যথা
কাশির সময় বা এমনিতেই বুকে ব্যথা অনুভূত হওয়া ফুসফুস ক্যানসারের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ। এই ব্যথা উপেক্ষা করা বিপজ্জনক।
৫. খিদে কমে যাওয়া
হঠাৎ করে খাওয়ার ইচ্ছা কমে যাওয়া বা নিয়মিত খাবার এড়িয়ে যাওয়া ক্যানসারের একটি সাধারণ উপসর্গ। দীর্ঘদিন এমন হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
৬. অকারণে ওজন কমে যাওয়া
কোনও ডায়েট বা শরীরচর্চা ছাড়াই ওজন দ্রুত কমে যাওয়া প্রায় সব ধরনের ক্যানসারেরই লক্ষণ হতে পারে, যার মধ্যে ফুসফুস ক্যানসারও রয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই লক্ষণগুলির যেকোনও একটি দেখা দিলেই আতঙ্কিত না হলেও অবহেলা করা চলবে না। দ্রুত পরীক্ষা ও সঠিক চিকিৎসাই পারে জীবন বাঁচাতে।





