UPI Payment Rules : ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবহারকারীদের জন্য আজ থেকে বড় পরিবর্তন।
আপনি যদি দৈনন্দিন কেনাকাটা, বিল পেমেন্ট বা অনলাইন শপিংয়ের জন্য UPI ব্যবহার করেন, তাহলে ২০০০ টাকার বেশি কিছু ট্রানজ্যাকশনে নতুন নিয়ম কার্যকর হয়েছে। ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া (NPCI) ওয়ালেট-ভিত্তিক মার্চেন্ট পেমেন্টের ক্ষেত্রে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে।
UPI Payment Rules-এ কী পরিবর্তন হলো?
NPCI স্পষ্ট করেছে, পার্সন-টু-পার্সন (P2P) অর্থাৎ ব্যক্তিগত UPI লেনদেন আগের মতোই সম্পূর্ণ বিনামূল্যে থাকবে। বন্ধু, পরিবার বা পরিচিত কাউকে টাকা পাঠাতে কোনও অতিরিক্ত চার্জ লাগবে না।
পরিবর্তনটি শুধুমাত্র ওয়ালেট-লোডেড মার্চেন্ট ট্রানজ্যাকশনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এখন কোনও গ্রাহক যদি ২০০০ টাকার বেশি অর্থ ওয়ালেটের মাধ্যমে কোনও মার্চেন্টকে পেমেন্ট করেন, তাহলে সর্বোচ্চ ১.১% পর্যন্ত চার্জ মার্চেন্টকে দিতে হবে।
এই নিয়ম PhonePe, Google Pay-এর মতো অ্যাপের ওয়ালেট মোডে প্রযোজ্য। সরাসরি ব্যাঙ্ক-টু-ব্যাঙ্ক UPI পেমেন্টে কোনও চার্জ লাগবে না।
নতুন ট্রানজ্যাকশন লিমিট কী?
সাধারণ UPI লেনদেনের দৈনিক সীমা ১ লক্ষ টাকা অপরিবর্তিত রয়েছে।
শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিমা ও IPO সংক্রান্ত লেনদেনে এই সীমা বাড়িয়ে দৈনিক ৫ লক্ষ টাকা করা হয়েছে।
কিছু নির্দিষ্ট P2M ক্যাটাগরিতে দৈনিক সর্বোচ্চ ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লেনদেনের অনুমতি রয়েছে।
বেশিরভাগ ব্যাঙ্ক এখনও দিনে প্রায় ২০টি ট্রানজ্যাকশনের সীমা বজায় রাখে।
গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের উপর প্রভাব
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই ১.১% চার্জ সরাসরি গ্রাহকের কাছ থেকে নেওয়া হবে না। আপনি যদি ৫০০০ টাকার ওয়ালেট পেমেন্ট করেন, তাহলে সেই চার্জ মার্চেন্টকেই বহন করতে হবে।
ছোট ও ব্যক্তিগত লেনদেন আগের মতোই সহজ ও বিনামূল্যে থাকবে। বড় ব্যবসায়ীরা উচ্চ ট্রানজ্যাকশন লিমিটের সুবিধা পাবেন, ফলে বড় অঙ্কের পেমেন্ট গ্রহণ করা আরও সহজ হবে।
এই সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য
NPCI-এর লক্ষ্য ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থাকে আরও সুরক্ষিত, স্বচ্ছ ও ট্র্যাকযোগ্য করে তোলা। বড় ওয়ালেট-ভিত্তিক লেনদেনে চার্জ আরোপের ফলে সিস্টেমের ভারসাম্য বজায় থাকবে এবং মনিটরিং আরও উন্নত হবে।
এই পদক্ষেপকে দেশের ক্যাশলেস ইকোনমি শক্তিশালী করার এবং ডিজিটাল ইন্ডিয়া উদ্যোগকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
Disclaimer: এই প্রতিবেদনটি সরকারি সূত্র ও প্রকাশ্য তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি। কোনও আর্থিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্ক বা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে তথ্য যাচাই করে নিন।





