Safe Investment Options: ভবিষ্যতের জন্য বড় অঙ্কের তহবিল গড়তে চাইলে দীর্ঘমেয়াদি ও নিরাপদ বিনিয়োগের বিকল্প বেছে নেওয়া জরুরি। সন্তানদের পড়াশোনা, বিয়ে বা অবসরকালীন জীবনের জন্য সঞ্চয় করতে চাইলে এমন কিছু স্কিম রয়েছে যেখানে ঝুঁকি কম এবং রিটার্ন নির্দিষ্ট।
PPF বা পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড
সরকার সমর্থিত এই স্কিমে ন্যূনতম ৫০০ টাকা জমা দিয়ে অ্যাকাউন্ট খোলা যায়। বর্তমানে বার্ষিক ৭.১ শতাংশ সুদ মিলছে। এক অর্থবছরে সর্বোচ্চ ১.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করা যায়। ১৫ বছরের লক-ইন পিরিয়ড থাকলেও পরবর্তী ৫ বছর করে বাড়ানো যায়। আয়কর আইনের 80C ধারায় কর ছাড়ের সুবিধাও রয়েছে।
ফিক্সড ডিপোজিট বা FD
সবচেয়ে জনপ্রিয় নিরাপদ বিনিয়োগের মাধ্যম। ৭ দিন থেকে ১০ বছর পর্যন্ত মেয়াদে বিনিয়োগ করা যায়। বর্তমানে অনেক ব্যাঙ্ক ৭ থেকে ৭.৫ শতাংশ পর্যন্ত সুদ দিচ্ছে। প্রবীণ নাগরিকদের জন্য অতিরিক্ত সুদের সুবিধা রয়েছে।
সিনিয়র সিটিজেন সেভিংস স্কিম বা SCSS
অবসরপ্রাপ্তদের জন্য বিশেষ স্কিম। বর্তমানে প্রায় ৮.২ শতাংশ সুদ দেওয়া হচ্ছে। প্রতি তিন মাসে সুদের টাকা পাওয়া যায়। ৫ বছরের মেয়াদ, যা অতিরিক্ত ৩ বছর বাড়ানো যায়। সর্বোচ্চ ৩০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করা সম্ভব।
ন্যাশনাল সেভিংস সার্টিফিকেট বা NSC
৫ বছরের নির্দিষ্ট মেয়াদের এই স্কিমে বর্তমানে প্রায় ৭.৭ শতাংশ সুদ মিলছে। নিরাপদ ও নির্দিষ্ট রিটার্ন চাইলে এটি উপযুক্ত। 80C ধারায় কর ছাড়ও পাওয়া যায়।
পোস্ট অফিস মাসিক আয় স্কিম বা POMIS
এককালীন বিনিয়োগ করে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট সুদ পাওয়া যায়। বর্তমানে প্রায় ৭.৪০ শতাংশ সুদ দেওয়া হচ্ছে। ব্যক্তিগতভাবে ৯ লক্ষ এবং যৌথ অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করা যায়। মেয়াদ ৫ বছর।
এই পাঁচটি বিনিয়োগ পদ্ধতিতে ঝুঁকি কম এবং রিটার্ন নির্দিষ্ট। দীর্ঘমেয়াদে সঠিক পরিকল্পনা করলে ভবিষ্যতের জন্য বড় অঙ্কের সঞ্চয় তৈরি করা সম্ভব।







