Post Office MIS Scheme: প্রতি মাসে নিশ্চিত টাকা হাতে পেতে চান? ঝুঁকি ছাড়াই নির্দিষ্ট আয় খুঁজছেন অনেকেই।
এই প্রয়োজন মেটাতেই জনপ্রিয় Post Office MIS Scheme। একবার টাকা জমা করলেই পরবর্তী ৫ বছর পর্যন্ত প্রতি মাসে সুদের টাকা হাতে পাওয়া যায়। স্বামী-স্ত্রী মিলে যৌথ অ্যাকাউন্ট খুলে আরও বড় অঙ্ক বিনিয়োগের সুবিধাও রয়েছে।
MIS স্কিমের উদ্দেশ্য কী?
পোস্ট অফিসের মাসিক আয় প্রকল্প মূলত তাঁদের জন্য, যারা নিয়মিত নির্দিষ্ট আয় চান। অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি, সিনিয়র সিটিজেন বা পরিবার চালানোর জন্য স্থায়ী মাসিক রিটার্ন চান তাঁদের কাছে এই স্কিম বেশ জনপ্রিয়।
যৌথ অ্যাকাউন্টে বিনিয়োগের সুবিধা
এই স্কিমে জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট খোলা যায়। স্বামী-স্ত্রী মিলিয়ে সর্বোচ্চ ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত জমা করা সম্ভব। এই পুরো অঙ্কের উপরেই মাসিক সুদ পাওয়া যায়।
১৫ লাখ টাকা জমা করলে মাসে কত মিলবে?
বর্তমানে Post Office MIS-এ প্রায় ৭.৪% বার্ষিক সুদ দেওয়া হচ্ছে।
১৫ লাখ টাকা জমা করলে বছরে সুদ দাঁড়ায় আনুমানিক ১,১১,০০০ টাকার কাছাকাছি।
এটিকে ১২ মাসে ভাগ করলে প্রতি মাসে প্রায় ৯,২৫০ টাকা পাওয়া যায়।
কিছু জায়গায় ১১,০০০ টাকার কথা বলা হলেও বর্তমান সুদের হারে বাস্তবে মাসিক আয় প্রায় ৯,০০০ থেকে ৯,৩০০ টাকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। সুদের হার পরিবর্তন হলে এই অঙ্ক কমবেশি হতে পারে।
৫ বছরে মোট কত লাভ?
MIS স্কিমের মেয়াদ ৫ বছর। যদি মাসে গড়ে ৯,২৫০ টাকা পাওয়া যায়, তাহলে ৫ বছরে মোট সুদ দাঁড়াতে পারে প্রায় ৫.৫ লাখ টাকার মতো।
মেয়াদ শেষে মূল ১৫ লাখ টাকাও সম্পূর্ণ ফেরত পাওয়া যায়।
কার জন্য উপযুক্ত এই স্কিম?
যাঁরা মূলধন সুরক্ষা চান এবং ঝুঁকি নিতে চান না, তাঁদের জন্য এটি উপযুক্ত। অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি, প্রবীণ নাগরিক বা যারা FD-র তুলনায় নিয়মিত মাসিক আয় চান, তাঁদের কাছে এটি ভারসাম্যপূর্ণ বিকল্প হতে পারে।
অ্যাকাউন্ট খোলার প্রক্রিয়া
নিকটবর্তী পোস্ট অফিসে গিয়ে জয়েন্ট অ্যাকাউন্টের ফর্ম পূরণ করতে হয়। আধার কার্ড, প্যান কার্ড ও ছবি জমা দিতে হয়। একবার টাকা জমা হলেই প্রতি মাসে সুদ সরাসরি অ্যাকাউন্টে জমা হতে শুরু করে।
ডিসক্লেমার
এই লেখা সাধারণ তথ্যের উদ্দেশ্যে। সুদের হার ও নিয়ম সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হতে পারে। বিনিয়োগের আগে অবশ্যই পোস্ট অফিসের অফিসিয়াল সূত্র থেকে সর্বশেষ তথ্য যাচাই করুন।






