নতুন বাজেট কার্যকর হতেই বাজারে নড়াচড়া শুরু।
GST Rates 2026 ঘোষণার পর স্পষ্ট হয়েছে, এবার সরকারের লক্ষ্য প্রয়োজনীয় পণ্য সস্তা করা এবং বিলাসবহুল খাতে কর বাড়ানো। ফলে সাধারণ পরিবার থেকে মধ্যবিত্ত শ্রেণি, সকলের মাসিক খরচে এর প্রভাব পড়বে।
রান্নাঘরের খরচে স্বস্তি
দুধ, দই সহ বিভিন্ন দুগ্ধজাত পণ্যে জিএসটি কমানো হয়েছে। এর ফলে বাজারদর কিছুটা কমার সম্ভাবনা রয়েছে। প্যাকেটজাত ও ফ্রোজেন সবজিতেও কর ছাড় দেওয়া হয়েছে, যা কর্মজীবী পরিবারের জন্য বড় স্বস্তি।
নিত্যপ্রয়োজনীয় সাবান, ওয়াশিং পাউডার এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার সামগ্রীতেও কর হ্রাস করা হয়েছে। ছোট মনে হলেও সারা বছরে এই সাশ্রয় উল্লেখযোগ্য অঙ্কে পৌঁছাতে পারে।
স্বনির্ভরতা ও শিক্ষায় জোর
সেলাই মেশিনে কর কমানো হয়েছে, যা ছোট উদ্যোক্তা ও স্বনির্ভর গোষ্ঠীর জন্য ইতিবাচক পদক্ষেপ। গ্রামীণ অর্থনীতিতে এর প্রভাব পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।
খাতা, পাঠ্যপুস্তক ও স্টেশনারি সামগ্রীতেও জিএসটি কমানো হয়েছে। শিক্ষার খরচ কমাতে এই সিদ্ধান্ত অভিভাবকদের কিছুটা স্বস্তি দেবে।
কোথায় বাড়ল খরচ
এয়ার কন্ডিশনারে করের হার বৃদ্ধি করা হয়েছে। গরমের সময় যেসব পরিবার নতুন AC কেনার পরিকল্পনা করছেন, তাদের অতিরিক্ত খরচের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।
মাল্টিপ্লেক্সে দামি সিনেমা টিকিটেও জিএসটি বেড়েছে। নিয়মিত সিনেমা দেখতে যাওয়া পরিবারগুলিকে বিনোদনের বাজেট নতুন করে ভাবতে হতে পারে।
ডিজিটাল ও ব্যাংকিং পরিষেবাতেও কিছু ক্ষেত্রে কর বৃদ্ধি হয়েছে। ক্রেডিট কার্ড প্রসেসিং চার্জ ও নির্দিষ্ট আর্থিক পরিষেবায় অতিরিক্ত খরচ যুক্ত হবে, যা মাসিক লেনদেনে প্রভাব ফেলতে পারে।
কী বার্তা দিচ্ছে বাজেট ২০২৬
সরকারের এই নীতিতে স্পষ্ট বার্তা রয়েছে – প্রয়োজনীয় পণ্য সস্তা, বিলাসবহুল খরচে বেশি কর। সচেতন ক্রেতারা যদি নতুন হারের ভিত্তিতে কেনাকাটার পরিকল্পনা করেন, তাহলে এই পরিবর্তন থেকেই লাভ তুলতে পারবেন।
অর্থনৈতিক পরিবর্তন নিয়মিত ঘটনা। তবে সঠিক তথ্য জানলে এবং পরিকল্পনা করে খরচ করলে, বাজেটের প্রভাবকে ইতিবাচক সুযোগে পরিণত করা সম্ভব।






