চাপ, উইকেট পতন আর রান তাড়ার কঠিন সমীকরণ – সব কিছুকে হার মানাল এক ইনিংস।
T20 World Cup: প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করল ইংল্যান্ড। আর সেই জয়ের নায়ক একাই – অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অসাধারণ শতরান করে দলকে টেনে তুললেন তিনি।
সুপার এইটের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে পাকিস্তান তোলে ৯ উইকেটে ১৬৪ রান। জবাবে ১৯.১ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৬৬ রান তুলে জয় ছিনিয়ে নেয় ইংল্যান্ড।
১৬৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় ইংল্যান্ড। শাহিন আফ্রিদি নিজের প্রথম স্পেলেই ফিরিয়ে দেন ফিল সল্ট এবং জস বাটলারকে। দ্রুত আউট হন জ্যাকব বেথেল ও টম ব্যান্টনও। চাপ বাড়ছিল।
কিন্তু অন্য প্রান্তে অটল ছিলেন ব্রুক। একাই লড়াই চালিয়ে যান তিনি। ৫১ বলে ১০০ রানের দুরন্ত ইনিংসে ছিল ১০টি চার ও ৪টি ছক্কা। দলের জয়ের ভিত গড়ে দেন তিনিই। আউট হওয়ার আগে ম্যাচ কার্যত নিশ্চিত করে দেন অধিনায়ক।
শেষ দিকে ১৫ বলে ১৬ রান করেন স্যাম কারেন। ২৩ বলে ২৮ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন উইল জ্যাকস। শেষ মুহূর্তে কয়েকটি উইকেট পড়ায় ম্যাচ কিছুটা জটিল হলেও, লিয়াম ডসন ও জফ্রা আর্চার ক্রিজে থেকে জয় নিশ্চিত করেন।
বল হাতে পাকিস্তানের হয়ে ৩০ রানে ৪ উইকেট নেন শাহিন। ২৬ রানে ২ উইকেট মহম্মদ নওয়াজ়র। ৩১ রানে ২ উইকেট নেন উসমান তারিক। তবুও জয় অধরা রয়ে যায়।
এর আগে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক সলমন। শুরুটা ভালো হয়নি। দ্রুত উইকেট পড়ে সাইম আয়ুব ও সলমনের। চাপে পড়ে পাকিস্তান।
ওপেনার সাহিবজ়াদা ফারহান ৪৫ বলে ৬৩ রানের লড়াকু ইনিংস খেলেন। ২৪ বলে ২৫ রান করেন বাবর আজ়ম। শেষ দিকে ফখর জ়ামান ও শাদাব খানের ছোট ছোট ইনিংসে দল ১৬৪ পর্যন্ত পৌঁছয়।
ইংল্যান্ডের হয়ে বল হাতে উজ্জ্বল ছিলেন লিয়াম ডসন। ২৪ রানে ৩ উইকেট নেন তিনি। ২৬ রানে ২ উইকেট জেমি ওভারটনের। ৩২ রানে ২ উইকেট জফ্রা আর্চারের। ৩১ রানে ১ উইকেট নেন আদিল রশিদ।
এই জয়ে সেমিফাইনালে জায়গা পাকা করল ইংল্যান্ড। অন্যদিকে, পাকিস্তানের শেষ চারের স্বপ্ন এখন কার্যত অনিশ্চিত।








