অ্যাপ ক্যাবে যাতায়াত করতে গিয়ে অতিরিক্ত ভাড়ার অভিযোগ নতুন নয়। সেই সমস্যার বিকল্প হিসেবে এবার দেশে চালু হচ্ছে নতুন পরিষেবা ‘ভারত ট্যাক্সি’। কেন্দ্রীয় সরকারের সমর্থনে তৈরি এই সমবায়ভিত্তিক অ্যাপ ক্যাব পরিষেবা আগামী দু’বছরের মধ্যে কলকাতাসহ দেশের ৫০০-রও বেশি শহরে চালুর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
গত ২৭ জুন গুজরাটের ১৪টি শহরে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ভারত ট্যাক্সি’-র সূচনা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অমিত শাহ জানান, পর্যায়ক্রমে কলকাতা, মুম্বই, পুণে, লখনউ, চণ্ডীগড় এবং জয়পুর-সহ দেশের শতাধিক গুরুত্বপূর্ণ শহরে এই পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া হবে।
आज का दिन गुजरात के टैक्सी चालक बहनों-भाइयों के लिए बहुत अहम है। गांधीनगर से सहकारिता मॉडल पर आधारित टैक्सी सेवा ‘भारत टैक्सी’ का गुजरात में शुभारंभ किया।
चालकों को सम्मान के साथ मालिक बनाने वाली ‘भारत टैक्सी’ उन्हें अधिक मुनाफा तो दे ही रही है, साथ ही इससे यात्रियों को भी सुगम… pic.twitter.com/zt9MFQ3Ep5
— Amit Shah (@AmitShah) June 27, 2026
‘ভারত ট্যাক্সি’-র সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হল এটি একটি সমবায় পরিচালিত অ্যাপ-ভিত্তিক পরিবহণ ব্যবস্থা। এখানে চালকেরাই শুধু গাড়ি চালান না, তাঁরা এই উদ্যোগের অংশীদারও। ফলে প্রচলিত অ্যাপ ক্যাব সংস্থাগুলির মতো ভাড়ার একটি বড় অংশ কোনও এগ্রিগেটর সংস্থাকে কমিশন হিসেবে দিতে হয় না।
এই পরিষেবা ‘জিরো কমিশন’ মডেলে পরিচালিত হবে। অর্থাৎ যাত্রী যে ভাড়া দেবেন, তার সম্পূর্ণটাই চালকের আয় হিসেবে থাকবে। সরকারের দাবি, কমিশনের বোঝা না থাকায় যাত্রীদেরও তুলনামূলক কম ভাড়ায় পরিষেবা দেওয়া সম্ভব হবে।
শুধু চার চাকার ক্যাব নয়, এই প্ল্যাটফর্মে অটো-রিকশা এবং বাইক ট্যাক্সির সুবিধাও পাওয়া যাবে। ফলে শহরের বিভিন্ন ধরনের যাতায়াতের প্রয়োজন মেটানোর লক্ষ্য নিয়েই পরিষেবাটি তৈরি করা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অমিত শাহ বলেন, এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত চালকেরা কেবল চালক নন, তাঁরা এই উদ্যোগের সহ-মালিকও। তাঁর দাবি, মাত্র ১০০ টাকা মূল্যের শেয়ার কিনে ইতিমধ্যেই দেশের সাত লক্ষেরও বেশি চালক ‘ভারত ট্যাক্সি’-র শেয়ারহোল্ডার হয়েছেন।
কলকাতায় এই পরিষেবা চালু হলে অ্যাপ ক্যাব বাজারে প্রতিযোগিতা আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে ভাড়া এবং চালকদের আয়ের কাঠামোয় নতুন মডেল কতটা সফল হয়, সেদিকেই নজর থাকবে যাত্রী এবং পরিবহণ শিল্পের।






