অ্যাপলের নতুন ডিভাইস কেনার পরিকল্পনা থাকলে বাজেট নতুন করে হিসেব করার সময় এসেছে। আইফোন, আইপ্যাড এবং ম্যাকবুকের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে মার্কিন প্রযুক্তি সংস্থা অ্যাপল। সংস্থার দাবি, হার্ডওয়্যারের উৎপাদন খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এতদিন একটি আইফোন তৈরিতে চিপ ও মেমোরির জন্য যেখানে প্রায় ৫ হাজার টাকা খরচ হতো, সেখানে আসন্ন iPhone 18 সিরিজে সেই ব্যয় বেড়ে প্রায় ১৮ হাজার ৭৩৩ টাকায় পৌঁছেছে। একই ধরনের খরচ বৃদ্ধি হয়েছে আইপ্যাড এবং ম্যাকবুকের ক্ষেত্রেও। ফলে এই অতিরিক্ত ব্যয়ের প্রভাব শেষ পর্যন্ত পড়তে চলেছে ক্রেতাদের উপর।
মূল্যবৃদ্ধির কারণ নিয়ে কোনও রাখঢাক করেননি অ্যাপলের সিইও টিম কুক। তিনি বলেন, “র্যাম ও স্টোরেজের দাম যথেষ্টই বেড়েছে। ফলে লাভের অঙ্ক ঠিক রাখতে আইফোন, আইপ্যাড বা ম্যাকবুকের মতো ডিভাইসগুলির মূল্যবৃদ্ধি করতে হচ্ছে তাদের।”
পশ্চিমি সংবাদমাধ্যমগুলির প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, iPhone 18 সিরিজে কৃত্রিম মেধা বা এআই-ভিত্তিক ফিচারের উপর বিশেষ জোর দিচ্ছে অ্যাপল। সেই কারণে প্রতিটি মডেলে অন্তত ১২ জিবি র্যাম রাখা হতে পারে। উন্নত হার্ডওয়্যার এবং এআই সক্ষমতা যোগ হওয়ায় উৎপাদন খরচ আরও বেড়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিশ্লেষকদের অনুমান, iPhone 18-এর বেস মডেলের দাম ১.১০ লক্ষ থেকে ১.২০ লক্ষ টাকার মধ্যে হতে পারে। তাই যাঁরা তুলনামূলক কম দামে অ্যাপলের স্মার্টফোন কিনতে চান, তাঁদের জন্য এখনও iPhone 17 সিরিজ একটি বাস্তবসম্মত বিকল্প হতে পারে। একইভাবে, পুরনো প্রজন্মের ম্যাকবুক এবং আইপ্যাডেও বর্তমানে তুলনামূলক কম দামে কেনার সুযোগ রয়েছে।
প্রযুক্তি বাজারের পর্যবেক্ষকদের মতে, আগামী কয়েক মাসে নতুন প্রজন্মের ডিভাইস বাজারে এলে পুরনো মডেলগুলিতে আরও কিছু ছাড় মিলতে পারে। ফলে নতুন প্রযুক্তির প্রয়োজন না থাকলে এখনই পুরনো সিরিজের ডিভাইস কেনা অনেকের জন্য লাভজনক সিদ্ধান্ত হতে পারে।






