মাসে ১০০ টাকা জমালেই পেয়ে যাবেন ১ লক্ষ টাকা! PNB-র এই স্কিমে দারুণ সুযোগ, জেনে নিন সব তথ্য

On: Tuesday, August 4, 2026 11:08 PM
---Advertisement---

মেয়ের পড়াশোনা, উচ্চশিক্ষা কিংবা ভবিষ্যতের খরচের জন্য ছোট থেকেই সঞ্চয় করতে চান? এককালীন বড় অঙ্কের টাকা বিনিয়োগ সম্ভব না হলেও চিন্তার কারণ নেই। ব্যাঙ্কের রেকারিং ডিপোজিট (RD) স্কিমে প্রতি মাসে অল্প অঙ্কের টাকা জমিয়েই ধীরে ধীরে একটি তহবিল তৈরি করা যায়।

পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের (PNB) রেকারিং ডিপোজিট প্রকল্পে মাত্র ১০০ টাকা মাসিক দিয়েও বিনিয়োগ শুরু করা সম্ভব। নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত নিয়মিত টাকা জমা রাখলে মেয়াদ শেষে মূলধনের সঙ্গে সুদের অর্থও হাতে আসে।

এই প্রকল্পে মেয়ের নামে বা যৌথ অ্যাকাউন্ট হিসেবেও বিনিয়োগ করা যায়। নাবালকের নামেও অ্যাকাউন্ট খোলার সুযোগ রয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন সংস্থা, ট্রাস্ট, সোসাইটি, কোম্পানি এবং অন্যান্য যোগ্য প্রতিষ্ঠানও নির্ধারিত নিয়ম মেনে এই প্রকল্পের সুবিধা নিতে পারে।

মাসিক ন্যূনতম জমার পরিমাণ ১০০ টাকা। এরপর নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী ১ টাকার গুণিতকে জমার অঙ্ক বাড়ানো যায়। প্রয়োজনে নির্ধারিত মাসিক কিস্তির তুলনায় ১০ গুণ পর্যন্ত অতিরিক্ত অর্থ জমা দেওয়ার সুবিধাও রয়েছে। তবে মাসিক নির্ধারিত কিস্তির সর্বোচ্চ সীমা ২.৫ লক্ষ টাকা।

এই RD স্কিমে ৬ মাস থেকে সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত বিনিয়োগের মেয়াদ বেছে নেওয়া যায়। অর্থাৎ স্বল্পমেয়াদি সঞ্চয়ের পাশাপাশি পাঁচ বছরের জন্যও পরিকল্পনা করা সম্ভব।

গ্রাহকদের সুবিধার জন্য স্ট্যান্ডিং ইনস্ট্রাকশনের ব্যবস্থাও রয়েছে। ফলে নির্দিষ্ট দিনে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে RD-র কিস্তি কেটে নেওয়া হবে। প্রয়োজনে জমা টাকার বিপরীতে ঋণ নেওয়ার সুবিধা এবং নমিনেশন করার সুযোগও রয়েছে। ব্যাঙ্কের এই নির্দিষ্ট স্কিমে কিস্তি জমা দিতে দেরি হলেও জরিমানা নেওয়া হয় না বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

সুদের হিসাব দৈনিক ভিত্তিতে করা হলেও নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী প্রতি ছয় মাস অন্তর তা প্রয়োগ করা হয়। সুদের হার ব্যাঙ্কের তৎকালীন কার্ড রেট অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে। প্রবীণ নাগরিকদের জন্য অতিরিক্ত সুদের সুবিধাও রয়েছে। ৬০ থেকে ৮০ বছর বয়সিদের সাধারণ হারের তুলনায় অতিরিক্ত ০.৫০ শতাংশ এবং ৮০ বছরের বেশি বয়সিদের ক্ষেত্রে ০.৮০ শতাংশ অতিরিক্ত সুদ দেওয়া হয়। প্রযোজ্য নিয়ম অনুযায়ী TDS-ও কাটা হবে।

ধরা যাক, বার্ষিক সুদের হার ৭ শতাংশ। সে ক্ষেত্রে প্রতি মাসে ১০০ টাকা করে ৫ বছর জমা করলে মোট বিনিয়োগ হবে ৬,০০০ টাকা। মেয়াদ শেষে আনুমানিক ৭,২০০ থেকে ৭,৩০০ টাকা পাওয়া যেতে পারে। অর্থাৎ সুদ হিসেবে মিলতে পারে প্রায় ১,২০০ থেকে ১,৩০০ টাকা। তবে প্রকৃত অঙ্ক সেই সময়ের সুদের হারের উপর নির্ভর করবে।

অন্যদিকে, যদি পাঁচ বছরে প্রায় ১ লক্ষ টাকার তহবিল তৈরি করতে চান, তাহলে একই ৭ শতাংশ সুদের হার ধরে প্রতি মাসে আনুমানিক ১,৩৯০ থেকে ১,৪০০ টাকা জমা রাখতে হবে। সে ক্ষেত্রে মোট বিনিয়োগ হবে প্রায় ৮৩,৪০০ থেকে ৮৪,০০০ টাকা এবং সুদ মিলিয়ে ম্যাচিউরিটির সময় প্রায় ১ লক্ষ টাকা পাওয়া যেতে পারে।

তবে বিনিয়োগের আগে ব্যাঙ্কের বর্তমান সুদের হার, প্রকল্পের শর্ত এবং অন্যান্য নিয়ম অবশ্যই যাচাই করে নেওয়া উচিত। কারণ সুদের হার পরিবর্তিত হলে ম্যাচিউরিটির অঙ্কও কম বা বেশি হতে পারে।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now