ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের জেরে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে প্রভাব পড়লেও ভারতের জন্য চিনির ক্ষেত্রে মিলতে পারে স্বস্তির খবর। উপসাগরীয় দেশগুলিতে রপ্তানি ব্যাহত হওয়ায় দেশে চিনির জোগান বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
India Sugar Export 2026: ভারত প্রতি বছর উল্লেখযোগ্য পরিমাণ চিনি ইরান, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি-সহ বিভিন্ন উপসাগরীয় দেশে রপ্তানি করে। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জাহাজ চলাচল ও বন্দরের কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটায় রপ্তানি কমে যেতে পারে। এর ফলে দেশের বাজারে অতিরিক্ত চিনি থেকে যেতে পারে।
উৎপাদনে বৃদ্ধি
২০২৫-২৬ মরসুমে ফেব্রুয়ারির শেষ পর্যন্ত দেশে প্রায় ২৪.৭৫ মিলিয়ন টন চিনি উৎপাদন হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ১২ শতাংশ বেশি। পুরো মরসুমে উৎপাদন ২৯-৩০ মিলিয়ন টনে পৌঁছতে পারে বলে অনুমান।
মজুত পরিস্থিতি
ফেব্রুয়ারির শেষে মিলগুলির হাতে প্রায় ১২.০৫ মিলিয়ন টন চিনি মজুত রয়েছে। মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ১৬-১৭ মিলিয়ন টন চিনি বাজারে উপলব্ধ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে তাৎক্ষণিক ঘাটতির আশঙ্কা নেই।
রপ্তানিতে কাটছাঁট
এই মরসুমে ২ মিলিয়ন টন রপ্তানির অনুমতি থাকলেও বিশেষজ্ঞদের মতে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মাত্র ০.৫ মিলিয়ন টন রপ্তানি হতে পারে। বাকি ১.৫ মিলিয়ন টন দেশেই থেকে যেতে পারে।
সাধারণের উপর প্রভাব
দেশে সরবরাহ ভালো থাকলে চিনির দাম স্থিতিশীল থাকতে পারে। এতে সাধারণ মানুষের রান্নাঘরে প্রভাব কম পড়বে। যদিও উৎপাদন প্রত্যাশার তুলনায় কম হলে পরিস্থিতি বদলাতে পারে, তবে আপাতত বাজার স্থিতিশীল বলেই ইঙ্গিত মিলছে।
সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক সংঘাতের মধ্যেও চিনির ক্ষেত্রে ভারতীয় বাজারে স্বস্তির বার্তা মিলছে।





