বকেয়া মহার্ঘ ভাতা নিয়ে রাজ্য সরকারি কর্মীদের লড়াইয়ে নতুন মোড়। সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরেও জট কাটছে না, বরং চাপ বাড়ছে আরও।
Dearness Allowance: পঞ্চম পে কমিশনের বকেয়া ডিএ মামলায় শীর্ষ আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, ২০০৮ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত জমে থাকা মহার্ঘ ভাতা মেটাতে হবে। চলতি অর্থবর্ষের মধ্যেই অন্তত ২৫ শতাংশ পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রথম কিস্তি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় কড়া বার্তা দিয়েছেন। তাঁর দাবি, সরকার নিজেই আদালতে ২৫ শতাংশ অর্থ জমা রাখার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিল, অর্থাৎ টাকার অভাব নেই। তা সত্ত্বেও এখনও সেই অর্থ মেটানো হয়নি।
মলয়বাবু জানিয়েছেন, ২৫ শতাংশ ডিএ না দেওয়ায় আদালত অবমাননার নোটিস দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি আবারও সর্বোচ্চ আদালতের নজরে আনা হয়েছে। সংগঠনের তরফে স্পষ্ট বার্তা, বকেয়া ডিএ আদায়ে তারা পিছু হটবে না।
তিনি আরও দাবি করেন, যদি ২৫ শতাংশের নির্দেশ কার্যকর হয় এবং পরবর্তী কিস্তিও ঘোষণা করা হয়, তাহলে মোট ৫০ শতাংশ ডিএ ভোটের আগেই দিতে বাধ্য হবে সরকার। তাঁর মতে, রাজনৈতিক পরিস্থিতির নিরিখে এই সিদ্ধান্ত সরকারের পক্ষেও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্ট ৩১ মার্চের মধ্যে ২৫ শতাংশ বকেয়া মেটানোর নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে ১৫ এপ্রিলের মধ্যে কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। বাকি ৭৫ শতাংশ কীভাবে এবং কত কিস্তিতে দেওয়া হবে, তা নির্ধারণের জন্য অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
ডিএ ইস্যুতে রাজ্য সরকার ফের আইনি পথে হাঁটতে পারে বলেও সূত্রের খবর। ফলে মহার্ঘ ভাতা নিয়ে টানাপোড়েন আপাতত চলছেই।






