হঠাৎই প্রশ্ন উঠেছে ভারতের ওপেনিং জুটিকে ঘিরে।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ টানা তিন ম্যাচে শূন্য রানে ফিরেছেন অভিষেক শর্মা। গুরুত্বপূর্ণ সুপার এইট পর্বের আগে স্বাভাবিকভাবেই চাপ বাড়ছে তরুণ এই ওপেনারকে নিয়ে।
শুক্রবার অনুশীলনে কোচ গৌতম গম্ভীরের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করতে দেখা যায় অভিষেককে। তবে দলীয় শিবিরে উদ্বেগের ছাপ দেখছেন না বোলিং কোচ মর্নি মর্কেল।
ম্যাচের আগের দিন মর্কেল স্পষ্ট জানিয়েছেন, অভিষেককে নিয়ে দলে কোনও বিশেষ আলোচনা হয়নি। তাঁর কথায়, অভিষেক বিশ্বমানের ক্রিকেটার এবং এখনও পর্যন্ত অন্যরা দায়িত্ব সামলাতে পেরেছে বলেই দল এগোচ্ছে। সুপার এইটের মতো গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে অভিষেক নিজের সামর্থ্য প্রমাণ করবেন বলেই তাঁর বিশ্বাস।
মর্কেলের দাবি, নেটে নিয়মিত ভাল শট খেলছেন অভিষেক। শুধু ম্যাচে সেই ছন্দ ফিরিয়ে আনার অপেক্ষা। তিনি দলের জন্য যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনই দর্শকদের কাছেও আকর্ষণের কেন্দ্র।
তবে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ফিল্ডিং নিয়েও ভাবাচ্ছে টিম ম্যানেজমেন্টকে। চলতি বিশ্বকাপে ভারত ইতিমধ্যে ন’টি ক্যাচ ফেলেছে, যা সুপার এইটের দলগুলির মধ্যে সর্বাধিক। যদিও তাতে এখনও ম্যাচ হারতে হয়নি, কিন্তু কঠিন লড়াইয়ে এই ভুল বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
মর্কেল জানিয়েছেন, ক্যাচ ধরা, রান বাঁচানো এবং বাউন্ডারি কমানো নিয়ে অনুশীলনে জোর দেওয়া হচ্ছে। তাঁর মতে, একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্যাচই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে।
বোলিং বিভাগ অবশ্য যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী। বরুণ চক্রবর্তী বর্তমানে উইকেট তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে। কম রান দিয়ে নিয়মিত সাফল্য পাচ্ছেন তিনি। মর্কেলের মতে, বরুণ একজন স্ট্রাইক বোলার, তবে তাঁকে সহায়তা করতে অন্য বোলারদেরও শুরু থেকেই চাপ তৈরি করতে হবে।
বরুণের প্রস্তুতি ও বিশ্লেষণী মানসিকতায় মুগ্ধ কোচ। প্রতিপক্ষ ব্যাটারদের নিয়ে খুঁটিনাটি বিশ্লেষণ করেন তিনি এবং ম্যাচে তা কাজে লাগান বলেই মত মর্কেলের।
এদিকে ভারতের প্রথম আট ব্যাটারের মধ্যে ছ’জনই বাঁহাতি। সমালোচকদের মতে, এতে বিপক্ষ বোলাররা একই লেংথে বল করে সুবিধা পাচ্ছেন। তবে মর্কেল এই যুক্তি মানতে নারাজ। তাঁর কথায়, এই আগ্রাসী ব্যাটারদের ছন্দ ফিরলেই বিপক্ষের ঘুম উড়ে যাবে।
সুপার এইটের মঞ্চে তাই সব নজর এখন অভিষেকের দিকে। বড় ম্যাচে কি ব্যাটে ফিরবে রান? উত্তর মিলবে খুব শিগগিরই।








